Breaking News

‘ডাবলস খেলে ১৮ গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছি, বাংলাকেও ডাবলস খেলতে হবে’, মন্তব্য লিয়েন্ডার পেজের!

দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :- কলকাতায় বিজেপির ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড প্রকাশ’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজের পুরনো দল তৃণমূলের সরকারকে বিঁধেছেন লিয়েন্ডার। তাঁর সঙ্গে কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন অলিম্পিক্সে পদকজয়ী প্রথম ভারতীয় বক্সার বিজেন্দ্র সিংও। হরিয়ানার বাসিন্দা বিজেন্দ্র বছর দুয়েক আগেই কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। খেলাধুলোয় বাংলার চেয়ে বিজেপিশাসিত হরিয়ানা অনেকটা এগিয়ে বলে দাবি করেছেন তিনি।এর আগে বুধবার ‘মাতৃশক্তি ভরসা’ কার্ড প্রকাশ করে গেরুয়া শিবির। ভোটের মুখে একের পর এক প্রকল্পের ঘোষণা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উঠছে প্রশ্ন। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগেও সরব শাসক শিবির তৃণমূল| লিয়েন্ডার তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়েছেন মূলত মাইগ্রেশন বা অভিবাসনের প্রবণতার উপর। সদ্যই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া টেনিস তারকার বক্তব্য, একটা সময় সারা দেশ থেকে মানুষ কাজের খোঁজে বাংলায় আসতেন। কিন্তু এখন অভিবাসনের সেই গতি বিপরীতমুখী, কাজের খোঁজে বাংলার মানুষ এখন অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। লিয়েন্ডার বলেন, ‘এ রাজ্যের অর্থনীতির অবস্থা খুব খারাপ। রোজগার নেই। সেই কারণে মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি এ রাজ্যে ক্ষমতায় এলে এই প্রবণতা বন্ধ হবে। রাজ্যের মানুষ চাকরি পাবেন। বাংলাকে আবার মহান করে তুলতে হবে।’কী এই ‘যুবশক্তি ভরসা’ কার্ড? এই প্রকল্পে প্রতি মাসে বেকার যুবক-যুবতীরা ৩ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পাবেন। কার্ড প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লিয়েন্ডার পেজ। তিনি বলেন, “যে কোনও মেট্রো সিটিকে চুম্বকের মতো হতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করে। আর না হলে সেদিক থেকে মুখ ফেরাবেন সকলে। বাংলার ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। শিল্প চলে যাচ্ছে। বাংলা থেকে যুবকদের চলে যাওয়া আটকাতে হবে। এটার জন্য আমি সত্যিই দুঃখ পেয়েছি। মুম্বই, দিল্লি, দক্ষিণ ভারতের দিকে দেখুন। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও এই বিষয় নিয়ে কথা বলেছি।” আন্তর্জাতিক বক্সার বিজেন্দ্র সিং বলেন, “বঙ্গবাসী বাসি মাছ পছন্দ করেন না। ঠিক তেমন বাসি সরকারও পছন্দ করেন না। তাই যুবশক্তি, নারীশক্তির কাছে আর্জি, এবার বিজেপিকে ভোট দিন। আর সরকার বদলে দিন।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *