দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :-বহু প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে, শিক্ষা দফতরের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত ফাইল পৌঁছোল নবান্নে। শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই বিকাশ ভবন থেকে এই ফাইল নবান্নে পাঠানো হয়েছে। এর আওতায় রয়েছেন অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। আশা করা হচ্ছে, কিছুদিনের মধ্যেই সুখবর পেতে চলেছেন আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা।নবান্নের সবুজ সঙ্কেত পেলেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই এই বকেয়া ডিএ মেটানোর পথে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া ডিএ পেতে পারেন। বিকাশ ভবনের পাঠানো ফাইল অনুমোদন পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।জানা গিয়েছে, স্কুলশিক্ষা দফতর এবং উচ্চশিক্ষা দফতর আলাদা ভাবে বকেয়া ডিএ-র হিসাবনিকাশ শুরু করেছিল। সেই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকেও অধ্যাপক ও অন্য কর্মীদের প্রাপ্য সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সমস্ত তথ্য এক করে চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করা হয়, তার পরেই সেইও হিসাব সংক্রান্ত ফাইল পাঠানো হয় নবান্নে।সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়কালের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। ওই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, আধিকারিক ও কর্মীরা কোন পদে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের বেতন কাঠামোর ব্যান্ড পে ও অ্যাকাডেমিক গ্রেড পে কত ছিল, এবং সেই অনুযায়ী কত ডিএ প্রাপ্য—এই সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করা হয়।জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ, এই তিনটি আলাদা সময়পর্বে ভাগ করে তথ্য নেওয়া হয়। সমস্ত তথ্য সংগ্রহ ও গণনার কাজ শেষ হওয়ার পর ‘ম্যাচিং অর্ডার’ জারি করা হবে। এর পরই বকেয়া ডিএ প্রদানের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal