Breaking News

‘ভোটে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করতে হবে’, ছাড় পাচ্ছেন না অধ্যাপকরা, নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চের!বিচারপতির প্রশ্ন, ‘দেশের স্বার্থে করবেন না?’

প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- কলেজ শিক্ষকদের ভোটের কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে সিঙ্গল বেঞ্চের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ অনুযায়ী, অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে কাজ করতেই হবে।আদালতের বক্তব্য, কয়েকজন শিক্ষক মামলা করলেও তাঁদের একাংশ কমিশনের নির্দেশ মতো কাজ শুরু করে দিয়েছেন। গ্রুপ এ অফিসারদের আগাম যুক্তিযুক্ত কারণ না দেখিয়ে যেমন বুথে দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তেমনই ভোটের কাজে তাঁদের কমিশনের কতটা প্রয়োজন সেটাও উপলব্ধি করতে হবে। তাঁদের যদি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেটাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।আদালতের বক্তব্য, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জাতীয় স্বার্থ দেখা বাধ্যতামূলক। সেটা কেউ অস্বীকার করতে পারেন না। এমন বৃহৎ কর্মযজ্ঞে কেন্দ্র বা রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেশি কাজে লাগানো হয়। আর এই ক্ষেত্রে সকলেই রাজ্যের সরকারি কলেজ অধ্যাপক, ফলে তাঁদের নিয়োগে কোনও বাধা নেই। কোর্ট কমিশনের ২০২৩ সালের বিজ্ঞপ্তিকে মান্যতা দিয়ে এটাও জানাচ্ছে যে, কমিশন জানাতে পারেনি, ঠিক কতজন শিক্ষককে তাঁদের ভোটের বুথে প্রয়োজন।আদালতের দাবি, অবজারভারের কাজ প্রশাসনিক। কোনওভাবেই তাঁদের দায়িত্ব প্রিসাইডিং অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া নয়। প্রিসাইডিং অফিসারের কাজের পরিধি অনেক দীর্ঘ। এমনকী সেক্টর অফিসারদের কোনও ভূমিকা প্রিসাইডিং অফিসারের উপরে নেই। ফলে তিনি যে পদেরই কর্মী হন না কেন, তাঁদের একাংশ কেন কমিশনের নির্দেশে মান্যতা দিল সেই ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়েছে মামলাকারীরা। আদালত লক্ষ্য করেছে, মামলাকারী সংগঠনের প্রেসিডেন্ট স্টেনো, ইন্সট্রাক্টরের মতো পদের কর্মীদের সেক্টর অফিসারের পদে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যেখানে তাঁদের কাছে প্রিসাইডিং অফিসারকে কোনও জবাবদিহি করতে হবে না।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *