Breaking News

ভোটের মুখে কমিশনকে বড় ধাক্কা, ‘ট্রাবল মেকার’ তালিকায় স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের—স্বস্তির নিঃশ্বাস ৮০০ জনের!

প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :-প্রথম দফার ভোটের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে বড়সড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। অশান্তি রুখতে পুলিশ পর্যবেক্ষকের নির্দেশে তৈরি করা ‘ট্রাবল মেকার’ বা সমস্যা সৃষ্টিকারীদের তালিকায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এভাবে ঢালাও নির্দেশিকা জারি করে কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যায় না। আগামী জুন মাস পর্যন্ত এই তালিকার কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।হাই কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছে, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা সীমাহীন নয়। অন্য আইন থাকলে সেটার অধীনেই কাজ করতে হবে। যদি আইন কোনও কাজ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে করতে বলে, তবে সেটাই মানতে হবে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের মন্তব্য, “শুধুমাত্র ‘ট্রাবল মেকার’ বলে চিহ্নিত করে ঢালাও নির্দেশ দেওয়া প্রাথমিক ভাবে ভুল। নাগরিকের স্বাধীনতা শুধুমাত্র আইন অনুযায়ীই সীমিত করা যায়। কেউ যদি অপরাধ করে, পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে। সতর্কতামূলক ভাবে কাউকে আটক করতে হলেও নির্দিষ্ট বিদি মেনেই করতে হবে।” আদালত জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে কমিশন এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে, তাতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হল। রাজ্যের শাসকদলের আশঙ্কা তাদের কর্মীদের গ্রেফতার করা হতে পারে। তৃণমূলের প্রায় ৮০০ কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে তারা। এই নিয়ে গত সোমবারই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। বুধবার মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে প্রধান বিচারপতি পালের এজলাসে। তৃণমূলের হয়ে কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যদেরই চিহ্নিত করে ‘ট্রাবল মেকার’ বলা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তৃণমূলের করা এই মামলায় বুধবার রাজ্য সরকারও আদালতে জানায়, বর্তমানে রাজ্যে সেই পরিস্থিতি নেই যে, ‘প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন’ বা সতর্কতামূলকভাবে আটক করতে হবে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *