প্রসেনজিৎ ধর :-শনিবার পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে এসে দু’টি মেগা জনসভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । প্রথমটি ছিল বর্ধমানের জামালপুরে এবং দ্বিতীয়টি হাওড়ার শ্যামপুরে। দুই সভা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানানোর পাশাপাশি রাজ্যের মতুয়া ও নমশূদ্র সম্প্রদায়ের জন্য বড়সড় প্রতিশ্রুতির কথা শুনিয়েছেন তিনি। শাহের দাবি, প্রথম দফার ভোটেই বিজেপি ১১০টি আসন নিশ্চিত করে ফেলেছে, আর শেষ দফায় তৃণমূলের পরাজয় কেবল সময়ের অপেক্ষা।জামালপুরের জনসভা থেকে রীতিমতো আত্মবিশ্বাসের সুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রথম দফার ভোটেই দিদির খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। বিজেপি সেখানে ১১০টি আসন জিততে চলেছে। আমি কথা দিচ্ছি, আগামী ৪ মে যখন নির্বাচনের ফল বেরোবে, তখন বর্ধমানের বিখ্যাত সীতাভোগ খাইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির মুখ মিষ্টি করাব আমরা।” এর পরেই তিনি মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন।
শাহের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মতুয়াদের মনে ভয় ঢোকাচ্ছেন। তাঁর কথায়, “দিদি বলছেন বিজেপি এলে মতুয়াদের ভোটাধিকার চলে যাবে। কিন্তু দিদি শুনে রাখুন, মতুয়া সমাজ আমাদের প্রাণ। আপনাদের কেউ ছুঁতে পারবে না। আপনারা বিজেপির সরকার গড়ে দিন, ৫ তারিখের পর মতুয়া ও নমশূদ্র সমাজের প্রতিটি ভাই-বোনকে নাগরিকত্ব দেবে বিজেপি।”শাহ বলেন, ‘‘মোদীজি অযোধ্যায় রামমন্দির বানিয়েছেন। আর অন্য দিকে, হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে এখানে মমতাদিদি বাবরি মসজিদ বানাতে চাইছেন। কান খুলে শুনে রাখুন, এক জনও বিজেপি কর্মী বেঁচে থাকলে পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ বানাতে দেবে না। এটা ভারতের ভূমি, এখানে কোনও বাবরি মসজিদের জায়গা নেই। পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে তৈরি হবে তো সেটা দূর্গা মন্দির |”এদিন
জামালপুরের জনসভা থেকে রীতিমতো আত্মবিশ্বাসের সুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রথম দফার ভোটেই দিদির খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। বিজেপি সেখানে ১১০টি আসন জিততে চলেছে। আমি কথা দিচ্ছি, আগামী ৪ মে যখন নির্বাচনের ফল বেরোবে, তখন বর্ধমানের বিখ্যাত সীতাভোগ খাইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির মুখ মিষ্টি করাব আমরা।” এরপরেই তিনি মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন।
দুর্নীতির ইস্যুতেও তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শাহ। তিনি জামালপুরের অনুন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “এখানে কি রেল ক্রসিংয়ে কোনও আন্ডারপাস হয়েছে? হয়নি। আসলে এখানে চলে গুন্ডাদের টোল ট্যাক্স। ইট, বালি বা সিমেন্ট – সব কিছুর ওপর টোল দিতে হয়। এগুলি সাধারণ ট্যাক্স নয়, এগুলো আসলে ‘ভাইপো-ট্যাক্স’। আপনারা ৫ তারিখে বিজেপির সরকার বানিয়ে দিন, ৬ তারিখ সকাল হতে না হতেই সমস্ত সিন্ডিকেটরাজকে বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলে দেব আমরা।”
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal