Breaking News

ঠাকুরনগর থেকে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে মতুয়াদের ‘গ্যারান্টি’ PM মোদীর!’নবান্ন থেকে সরকার চলে না, তৃণমূলের গুন্ডারা চালায়’, হরিপাল থেকে খোঁচা মোদীর

নিজস্ব সংবাদদাতা :-‘আপনারা আমাদের ভোট দিন, আমরা আপনাদের স্বাধীনতা দেব।’ মতুয়াগড় বনগাঁর ঠাকুরনগরের জনসভা থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর উদ্ধৃতি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ বানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূলের ‘অহঙ্কার ভেঙে গিয়েছে’ এবং দ্বিতীয় দফার পর রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন নিশ্চিত। এদিন মোদী বলেন, ‘‘তৃণমূল আমলে সবচেয়ে বড় ধোঁকা হয়েছে মা-বোনেদের সঙ্গে। তাই মা-বোনেদের মধ্যে রাগ ভরপুর। সন্দেশখালিতে কী হয়েছে মনে আছে তো! এটা কখনও ভুলবেন না। সন্দেশখালি থেকে মেয়েরা গায়েব হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারের কোনও হেলদোল ছিল না। তবে চিন্তা নেই। ৪ মে-র পর বিজেপি সরকার সব কিছুর হিসাব করবে। মা-বোনেরা, আর অত্যাচারীদের সহ্য নয়। বিজেপি মা-বোনেদের সুরক্ষাও দেয়, সম্মানও করে। আমরা সন্দেশখালিতে অত্যাচারিত এক মহিলাকে টিকিট দিয়েছি, আরজি করের নির্যাতিতার মা-কেও টিকিট দিয়েছে বিজেপি।’’এদিন জনসভায় জনজোয়ার দেখে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিখ্যাত আহ্বান স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘ওদের এখান থেকে যেতেই হবে। এই সরকার হঠাতে হবে। তাই বাংলার একটাই সিদ্ধান্ত, পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার। বাংলার কাছে সব কিছু রয়েছে। সামর্থ রয়েছে। তাই দেশের এক নম্বর রাজ্য হতে পারে। নেতাজি সুভাষচন্দ্রের আহ্বান মনে রাখবেন। তিনি বলেছিলেন তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব। দেশের মানুষ সব উজার করে দেন। আজ আমি আপনাদের বলছি, আপনারা আমাকে ভোট দিন, আমরা আপনাদের তৃণমূল থেকে মুক্তি দেব। জঙ্গলরাজ, ভয়, দুর্নীতি, মহিলা নির্যাতন, বেকারত্ব, অনুপ্রবেশকারী থেকে মুক্তি দেব।’ তাঁর দাবি, ‘বিজেপি কৃষকদের কল্যাণে নজর দেয়। পাটের এমএসপি (ন্যূনতম সহায়ক মূল্য) দ্বিগুণ করেছে। পাটের প্যাকিং অনির্বায করেছে। তার ব্যবহার বৃদ্ধির দিকে নজর দিয়েছে। এখানে কারখানা চলতেই দেয় না তৃণমূল। ওদের বাজনা বাজিয়ে বিদায় করুন।’মোদী বলেন, ‘‘তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর কাজে বাধা সৃষ্টি করছিল। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।’’অন্যদিকে হরিপালের সভা থেকে রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে সরব প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের মন্ত্রী হাজার হাজার যুবকের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছেন। সংবেদনশীল সরকার হলে নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করত। কিন্তু আদালতকে এখানে তদন্তের নির্দেশ দিতে হয়েছে। তৃণমূলের বিশ্বাসযোগ্যতা শূন্য।’’

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *