নিজস্ব সংবাদদাতা :- ভোটের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পুলিশ পর্যবেক্ষক করে উত্তরপ্রদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে এসেছে নির্বাচন কমিশন। সেই পুলিশ পর্যবেক্ষক ‘সিংহম’ অজয়পাল শর্মার ভূমিকা নিয়ে সোমবার থেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে তৃণমূল। এ বার তাঁর বিরুদ্ধে মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও এখনই তা শুনবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের মন্তব্য, ‘‘বুধবার ভোটগ্রহণ। তার আগে এই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করব না।’’ বিচারপতি ২৯ তারিখ পর্যন্ত কোনও হস্তক্ষেপ করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ৷
এদিন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে ৷ আবেদনকারীর অভিযোগ, যোগী রাজ্যের পুলিশ আধিকারিক আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন ৷ তিনি অজয় পাল শর্মাকে আটকানোর আবেদন জানিয়েছেন ৷ মামলাকারীর আইনজীবী সওয়াল করেন, আইপিএস তৃণমূলের প্রার্থী ও ভোটারকে হুমকি দিচ্ছেন ৷এদিকে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও মন্তব্য করেন, “২৯ এপ্রিল পর্যন্ত কোনও হস্তক্ষেপ করব না ৷ যাঁরা নির্বাচনের দ্বায়িত্বে আছেন তাঁদের কারও কাজে হস্তক্ষেপ করব না ৷” অতএব, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না-হওয়ায় এদিন শুনানি হয়নি ৷বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি ভিডিয়ো। সোমবার অজয়পালের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে। সেখানে সামনে উপস্থিত মানুষদের উদ্দেশে ‘হুঁশিয়ারি’র সুরে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে অজয়পালকে। দাবি করা হচ্ছে, ভিডিয়োটি ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের বাড়ির কাছেই। সেখানে তৃণমূল প্রার্থীর পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশেও ‘বার্তা’ দিতে দেখা গিয়েছে। প্রকাশ্যে আসা ওই ভিডিয়োকে ঘিরেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করে তৃণমূল।ফলতার ঘটনায় ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল জানান, অজয় চাইলে ফলতা বিধানসভা এলাকায় জমায়েত, বিক্ষোভ নিয়ে কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে পারেন। তবে কমিশন নিজে থেকে কোনও রিপোর্ট তলব করেনি। সোমবারের পর মঙ্গলবারও আলোচনায় অজয়। মঙ্গলবার ফলতার তৃণমূল প্রার্থীর প্রায় সামনাসামনি হল অজয়ের কনভয়। ফলতায় তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে দিয়ে সেই কনভয় যাওয়ার সময় ওঠে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। বিক্ষোভের জেরে খানিক ক্ষণের জন্য অজয়পালের কনভয়ের পিছনের দিকে কয়েকটি গাড়িও আটকে যায়।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal