Breaking News

কালীঘাটে ‘বহিরাগত’ ধরতে ছুটলেন শুভেন্দু! স্লোগানযুদ্ধ-লাঠিচার্জে উত্তপ্ত মুখ্যমন্ত্রীর পাড়া,পরিস্থিতি বাগে আনতে লাঠিচার্জ বাহিনীর

নিজস্ব সংবাদদাতা :-২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণের দিনে চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠল খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়া কালীঘাট। বুধবার দুপুরে নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার পর প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী| পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত লাঠিচার্জ করতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মুক্তদল মোড় এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি পৌঁছলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। সেখানে উপস্থিত তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকেরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি শুভেন্দুকে লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় পৌঁছলে সেখানেও বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও পাল্টা ‘পিসি চোর-ভাইপো চোর’ স্লোগান দিলে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মৃদু লাঠিচার্জ করা হয় বলেও অভিযোগ। ধুন্ধুমার পরিস্থিতির মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ”শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। শুভেন্দুর কথায় পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করেছে।”ভোটের দিন স্বভাবত বাড়ি থেকেই গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তিনি। কিন্তু এদিন সকাল থেকেই ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুথ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তৃণমূল নেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। এরমধ্যেই জয়হিন্দ ভবনে বুথ পরিদর্শনে যান বিরোধী দলনেতা। সেইসময় তাঁকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। ঘটনায় রীতিমতো মেজাজ হারিয়ে একটা সময় বিরোধী দলনেতাকে কালীঘাটের রাস্তায় দৌড়তেও দেখা যায়।বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ তথা ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মীদের নির্দেশ দেন শুভেন্দুকে দেখে স্লোগান দেওয়ার জন্য। পাল্টা তৃণমূলের অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারী বহিরাগতদের নিয়ে এলাকায় ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *