নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা :- মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই অ্যাকশনে পুলিশ প্রশাসন। বুধবার বিকেলে তিলজলায় পৌঁছয় বুলডোজার। প্রশাসনের কাজে যাতে কোনও বাধা না আসে, এলাকা ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কারখানায় মঙ্গলবার আগুন লাগে, সেটি অবৈধ বলে এদিনই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, কোনও অবৈধ নির্মাণ চলবে না। এর পরেই বিল্ডিং ভাঙতে ঘটনাস্থলে টিম হাজির।শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে বিজেপি সরকার। তিলজলায় অগ্নিকাণ্ডে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী বুধবার জানান, ১ দিনের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা পুরসভা ও কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ) যৌথ উদ্যোগে তিলজলায় দু’টি বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করল। বাড়ি ভাঙার জন্য ৪-৫টি বুলডোজার আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও একাধিক শ্রমিক বাড়ি ভাঙার কাজ করছেন।মঙ্গলবার তিলজলায় একটি চামড়ার কারখানায় আগুন লাগে। দু’জনের মৃত্যু হয়। তিন জন হাসপাতালে ভর্তি। বুধবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, তিলজলার ওই কারখানার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই। অবৈধ ভাবে কারখানা চলছিল। কারখানার মালিক শেখ নাসির ও শামিম মহম্মদকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, বিল্ডিং প্ল্যান না থাকলে, অবৈধ কারখানাগুলির বিদ্যুৎ সংযোগ, জলের কানেকশন কেটে দেওয়া হবে। যাদের বিল্ডিং প্ল্যান স্যাংশন নেই, সেই সব কারখানা, বিশেষ করে তিলজলা, কসবা, মোমিনপুর, একবালপুর-সহ এলাকাগুলিতে দ্রুত ইন্টারনাল অডিট করা হবে।পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশও দেন, একদিনের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে। কলকাতা পুরসভা ও কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়েই সেই কাজ করা হবে। এরপরেই বিকেলে দেখা যায়, তিলজলায় পৌঁছেছে বুলডোজার।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal