প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- সোনারপুরে নিহত দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে মার খেয়ে চিকিৎসার জন্য অ্যাপোলো হাসপাতালে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখান থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বলেন, “এখানে চিকিৎসা হচ্ছে না। আমরা অন্য জায়গায় শিফট করছি।” কিছুক্ষণ পরে হাসপাতালের পোশাক করে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। হুইলচেয়ারে বসে বেরিয়ে আসেন তিনি। তারপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান তিনি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক-ও-ব্রায়েন।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে ওঠেন অভিষেক। গাড়ির সামনে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিছনের আসনে বসতে দেখা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা এখান থেকে শিফট করছি, এখানে ট্রিটমেন্ট হচ্ছে না। ওপর থেকে বলে দিয়েছে।’
রাত ৮টার কিছুক্ষণ পরে বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেখানে তাঁর বেশ কিছু শারীরিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় ইনজুরি স্পট দেখলাম। জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে… যে কোনও সময় যে কোনও ঘটনা ঘটতে পারত। মাথায় চোট আছে।’পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে এবং অভিষেকের শারীরিক অবস্থার খবর নিতে সেখানে পৌঁছে যান দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন সহ বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। তবে এই তালিকায় সবথেকে উল্লেখযোগ্য নাম, শোভন চট্টোপাধ্যায়।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal