প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :- রবিবার বিকেলে দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের বাড়িতে বিকেল ৪টের সেই বৈঠকে উপস্থিতি কম থাকায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। তবে বৈঠক শেষে দলের ঐক্যের বার্তা দিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তৃণমূলের বিধায়ক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।কালীঘাটের বাড়ির বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ জানান, গত শনিবার সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা এবং রবিবার শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনায় রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদে নেমেছেন দলের বিধায়ক ও কর্মীরা। অনেক বিধায়ক নিজেদের এলাকায় আন্দোলন ও বিক্ষোভে ব্যস্ত থাকায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি। এমনকি কয়েকজনকে পুলিশ আটক করে থানায় বসিয়ে রাখার অভিযোগও করেন তিনি।
কুণাল ঘোষের দাবি, বিভিন্ন বিধায়ক ফোন করে দলনেত্রীকে বৈঠক পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কারণ, এলাকায় না থাকলে কর্মীদের উপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে। সেই অনুরোধ মেনেই আপাতত দলীয় বৈঠক স্থগিত রাখা হয়েছে।তৃণমূল মুখপাত্র স্পষ্ট জানান, বৈঠকে কম উপস্থিতির সঙ্গে দলের অভ্যন্তরীণ কোনও সমস্যা বা ভাঙনের সম্পর্ক নেই। বরং সাম্প্রতিক হামলার ঘটনার প্রতিবাদে দল এখন আন্দোলনের পথে হাঁটছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আগামী ১ জুন, সোমবার রাজ্যের প্রতিটি পুরসভা ও পঞ্চায়েত এলাকায় তীব্র প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
কুণাল ঘোষ বলেন, “সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নজিরবিহীন আক্রমণ হয়েছে। শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কর্মীদের উপর লাগাতার আক্রমণ চলছে। এই সমস্ত ঘটনার প্রতিবাদে ১ জুন রাজ্যের প্রতিটি কোণায় প্রতিবাদে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস।”
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal