Breaking News

বিধায়ক-সাংসদ হলেও রক্ষা নেই, দখলদারি ও বেআইনি কাজে জড়ালেই কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি শমীক ভট্টাচাৰ্যর!

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা :- দলের নাম, পতাকা বা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে দখলদারি, তোলাবাজি কিংবা বেআইনি ব্যবসার অভিযোগ উঠলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না। এমনই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। হাবড়ায় এক দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধায়ক, সাংসদ বা প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না বিজেপি।রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার প্রফুল্লনগরে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শমীক। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গকে হিংসা, দখলদারি ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের সংস্কৃতি থেকে মুক্ত করা। সেই নীতিকেই সামনে রেখে দল পরিচালিত হবে বলে দাবি করেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশ ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, অতীতে কিছু রাজনৈতিক নেতা নিজেদের কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করতেন। শমীকের দাবি, “কেউ দিল্লি যেতেন ৫০০ পুলিশ নিয়ে, আবার কোনও কর্মসূচিতে ১০০ জন মহিলা পুলিশকে ব্যবহার করা হত। তাঁদের ন্যূনতম পরিকাঠামোর ব্যবস্থাও থাকত না। পুলিশ কর্মীরা আমাদের কাছে এই নিয়ে অভিযোগ করেছেন। আমরা সেই বিষয়গুলো সামনে আনব। এই সংস্কৃতি আর চলবে না।”
অন্যদিকে, সোনারপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন শমীক। তাঁর দাবি, “এটা তৃণমূলের নিজেদের অন্দরের দ্বন্দ্ব ও ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতির ফল।” একইসঙ্গে তিনি ফের দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই এবং হিংসার রাজনীতি থেকে দূরে থাকার বার্তাই দিচ্ছে বিজেপি।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *