নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:- বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় ভাঙনের সুর অব্যাহত। এবার কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ পুরসভায় ঘটল বড়সড় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। তৃণমূল কংগ্রেসের হাত থেকে এই পুরসভাটি ছিনিয়ে নিল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কংগ্রেসে যোগদান করলেন মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান সহ ৬ কাউন্সিলার। শুক্রবার কলকাতার বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হাত থেকে দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন তাঁরা।শুক্রবার কলকাতার বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হাত থেকে তাঁরা দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন, মাত্র ৯টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট মেখলিগঞ্জ পুরসভাটি আয়তনে ছোট হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দলবদলের রাজনৈতিক গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলসহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় যখন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই উত্তরবঙ্গের এই পুরসভার হাতবদল নতুন এক রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কলকাতার বিধান ভবনে আয়োজিত এই বিশেষ যোগদান পর্বে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দেবপ্রসাদ রায় এবং বিশ্বজিৎ সরকারের মতো শীর্ষ কংগ্রেস নেতারা, তৃণমূলের ৬ জন কাউন্সিলার একসঙ্গে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় মেখলিগঞ্জ পুরসভায় স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে বিদায়ী শাসকদল, ফলে এই পুরবোর্ড এখন পুরোপুরি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে, দলবদল প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনি বিজেপির দিকে নিশানা সেধে বলেন, বিজেপি সরকার রাজ্যে আসার পর তাদের বক্তব্য ছিল ভয় আউট এবং ভরসা ইন, কিন্তু সরকার গঠনের পর থেকে হকার উচ্ছেদ ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোকান ভেঙে দেওয়ার মতো একাধিক কাজ তারা করছে, তিনি আরও যোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসে থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সেই দল এখন নিজেই তীব্র গোষ্ঠী কোন্দলে নাজেহাল, তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করতেই তাঁরা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন, অন্যদিকে এই মেগা দলবদল প্রসঙ্গে মেখলিগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রবীণ তৃণমূল নেতা পরেশ চন্দ্র অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, দলবদল নিয়ে চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনির সঙ্গে তাঁর কোনও আলোচনা হয়নি এবং তিনি নিজে তৃণমূল কংগ্রেসেই রয়েছেন।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal