Breaking News

সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকই, সঙ্গে ‘যুগ্ম’ ডেরেক ও দোলা!সুব্রত বক্সীর জায়গায় রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা, নতুন বার্তা মমতার

দেবরীনা মণ্ডল সাহা, কলকাতা :- নতুন করে দলীয় কমিটি ঘোষণা করল তৃণমূল। কালীঘাটে দীর্ঘ মিটিংয়ের পরে কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ের পরে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। দলে আগের পদেই অর্থাৎ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক থাকছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে থাকছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন।তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে রাজ্য সভাপতি থাকা ৭৫ বছর বয়সি সুব্রতকে সরিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

*কোন পদে এলেন?*
রাজ্য তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

জাতীয় কর্মসমিতির সহ-সভাপতি পদে থাকছেন সুব্রত বক্সী।

রাজ্যে তৃণমূলের সহ-সভাপতি হয়েছেন সাজদা আহমেদ, মমতা ঠাকুর, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্বাতী খন্দকার |

রাজ্য সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছেন বাবর আলি, পুলক রায়, অসীমা পাত্র, অরূপ বিশ্বাস এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

দলের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, ডা. রানা চট্টোপাধ্যায়, বিদেশ বোস, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, তাপস চট্টোপাধ্যায়, বসুন্ধরা গোস্বামী এবং গৌতম দেব।

*দলের শাখা সংগঠনকেও সাজিয়েছে তৃণমূল:*
তৃণমূল যুব কংগ্রেস-এর সভাপতি হিসেবে থাকছেন সায়নী ঘোষ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মধুরিমা ঠাকুর।

তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী পদে রাখা হয়েছে মালা রায়কে

তৃণমূল ছাত্র পরিষদে সভাপতি পদে এসেছেন প্রিয়াঙ্কা অধিকারী

দলের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি মলয় ঘটক

হকার্স সংগঠনের সভাপতি মদন মিত্র

তৃণমূলের কৃষক সংগঠনের সভাপতি বেচারাম মান্না

দলের ক্ষেতমজুর সংগঠনের সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু

তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি সেলের সভাপতি: বীরবাহা হাঁসদা

তৃণমূলের মুখপাত্র হিসেবে থাকছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষ। এখন যাঁরা প্যানেলিস্টরা আছেন তাঁরাও দায়িত্বে বহাল থাকবেন।

দলের কোষাধ্যক্ষ নিযুক্ত করা হয়েছে শুভাশিষ চক্রবর্তীকে

দলের অন্দরে চলা নানা জল্পনার মাঝেই এই সাংগঠনিক রদবদলকে তৃণমূলের পুনর্গঠনের প্রথম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ক্ষমতা হারানোর পর সংগঠনকে নতুনভাবে গুছিয়ে তোলা, কর্মীদের মধ্যে আস্থা ফেরানো এবং বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্বের ভারসাম্য তৈরি করাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *