প্রসেনজিৎ ধর, কলকাতা :-বালি পাচার মামলায় এবার চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শনিবার কলকাতার বিচার ভবনে এই চার্জশিট জমা করেছেন তদন্তকারীরা। ইডির দাবি, এই ঘটনার তদন্তে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে তারা। সূত্রের খবর, চার্জশিটে মোট ১৮ অভিযুক্তের নাম রয়েছে।গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেফতার হন জিডি মাইনিংয়ের কর্ণধার অরুণ শরাফ। তাঁর বিরুদ্ধে ইডি অভিযোগ করে যত ধরনের জালিয়াতি সম্ভব, তার সবটাই করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্যান্ড (মাইনিং, ট্রান্সপোর্ট, স্টোরেজ ও সেল) বা WBMDTCL-এর সমস্ত নিয়মাবলিকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বালি খনন ও তা বিক্রি করে বিপুল মুনাফা লুটেছেন অরুণ শরাফ|অভিযোগ, অন্তত ৭৯ কোটি সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এই সংস্থার ব্যাঙ্কের হিসেবেও গরমিল রয়েছে অভিযোগ ইডির। জানা যাচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সংস্থার ব্যাঙ্কে জমা পড়েছিল ১৩০ কোটি টাকা। কিন্তু বালি বিক্রি করে ১০৩ কোটি টাকা জমা করা হয়েছে ব্যাঙ্কে। শুধু অরুণের সংস্থা নয়, আরও বহু সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে তদন্তকারীরা তুলে ধরেছেন কীভাবে অবৈধ্য ভাবে বালি পাচার করা হত।তদন্তকারীদের দাবি, বালি তোলার ক্ষেত্রে যে লরিকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, সেই গাড়ির নম্বর দিতে হতো। কিন্তু অভিযোগ, একই নম্বর ব্যবহার করেই একাধিক লরিতে চলত এই বালি পাচার। কার্যত অনেক ক্ষেত্রেই তা প্রশাসনের বোঝার বাইরে ছিল। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে স্বাভাবিকভাবেই মনে হত, অনুমতি পাওয়া লরিই বালি তুলছে। কিন্তু সেই নম্বরকে ব্যবহার করে আদতে একাধিক লরিকে ব্যবহার করেই চলত এই বালির দুর্নীতি।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal