দেবরীনা মণ্ডল সাহা :-সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ, ট্রাইবুনালের রায়, সব কিছুর পরেও শেষপর্যন্ত ভোট দেওয়া হল না চিত্রকর নন্দলাল বসুর নাতি এবং তাঁর স্ত্রীর। বৃহস্পতিবার বোলপুরের একটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ দম্পতি। কিন্তু সেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি তাঁরা। নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন এবং তাঁর স্ত্রী দীপা বসু ভোট না দিয়েই বাড়ি ফিরে গেলেন। বৃহস্পতিবার বোলপুরের একটি বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন প্রৌঢ় দম্পতি। কিন্তু সেখানে ভোট দিতে ঢুকলে আধিকারিক জানান, তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নেই। ফলে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন না।তখন তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অংশটি দেখান। তখন ওই আধিকারিকের তরফে সুপ্রিম নির্দেশের মুদ্রিত সংস্করণ চাওয়া হয়। কিন্তু সেটা করার পরেও ভোটদানে বাধা দেওয়া হয় প্রৌঢ় দম্পতিকে।জানা যায়, ওই দম্পতিকে নির্দেশ দেওয়া হয় সিউড়িতে জেলাশাসকের দপ্তর থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আসতে হবে, তারপরেই ভোট দিতে পারবেন তাঁরা। তীব্র গরমে তাঁরা আর সিউড়ি যাওয়ার ধকল নিতে চাননি। ভোট না দিয়েই বুথ থেকে বাড়ি চলে আসেন প্রৌঢ় দম্পতি।
উল্লেখ্য, ভারতের সংবিধান অলংকরণের শিল্পী নন্দলাল বসুর পরিবারের সদস্যের নাম বাদ পড়ে এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা থেকে। তারপরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্টেও ডিলিটেড আসায় তাঁর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের।
Hindustan TV Bangla Bengali News Portal