Breaking News

ছাপিয়ে গেল সমস্ত রেকর্ড!উদ্ধার প্রায় ৫০০ কোটি টাকার মদ-মাদক, অন্যান্য সামগ্রী, ভোটের আগে চাঞ্চল্য

দেবরীনা মণ্ডল সাহা :- বাংলার ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ করতে একাধিক কড়া পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটবঙ্গে যাতে অবৈধ সামগ্রী পাচার, লেনদেন না হয়, তার জন্য আলাদা করে নজরদারি চালানো হয়। দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে সোমবার বিকেলে প্রচারের সময় শেষের পর কমিশন জানাল, এবার রেকর্ড অঙ্কের মদ, টাকা ও অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। হিসেব বলছে, এই অঙ্ক ৫০০ কোটি ছাপিয়ে গিয়েছে। মদ এবং বেআইনি টাকা-সহ ৫১০ কোটির সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে মদ ও মাদকই উদ্ধার হয়েছে ২৩৬ কোটির বেশি। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, ২০২১ সালে এই অঙ্কটা ছিল কমবেশি ৩৩৯ কোটি টাকা। কমিশনের দাবি, নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বেআইনি প্রলোভন ও ভোটে প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা রুখতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। সেই কারণে বিভিন্ন জেলায় বিপুল সংখ্যক ফ্লাইং স্কোয়াড টিম (FST) এবং স্ট্যাটিক সার্ভিল্যান্স টিম (SST) মোতায়েন করা হয়েছে। কমিশনের প্রেস নোট অনুযায়ী, সারা রাজ্যে ২,৭২৮টি ফ্লাইং স্কোয়াড টিম এবং ৩,১৪২টি স্ট্যাটিক সার্ভিল্যান্স টিম কাজ করছে। বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং, যানবাহন তল্লাশি এবং গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে বেআইনি মদের মজুত, উৎপাদন ও পাচার রোধে। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা নগদ, বিপুল পরিমাণ মদ, ১১০.১২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য, ৫৮.২৮ কোটি টাকার মূল্যবান ধাতু এবং ১৮৪.৮৫ কোটি টাকার ফ্রি-বি বা অন্যান্য সামগ্রী। ফলে সব মিলিয়ে অবৈধ সামগ্রীর হিসাব দাঁড়িয়েছে ৫১০.১০ কোটি টাকা। নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, এই অঙ্ক ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময় বাজেয়াপ্ত হওয়া মোট ৩৩৯ কোটি টাকা-র থেকেও অনেক বেশি। ফলে চলতি নির্বাচনে কমিশনের নজরদারি ও অভিযানের তীব্রতা যে আগের তুলনায় অনেক বেশি, তা কার্যত স্পষ্ট বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *